সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

GE4 লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দাক্ষিনাত্য বিদ্রোহ | Deccan Uprising

 দাক্ষিনাত্য বিদ্রোহ উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে ভারতে যেসব কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল ১৮৭৫ এর দাক্ষিণাত্য বিদ্রোহ তার মধ্যে অন্যতম। মহারাষ্ট্রের এই কৃষক অসন্তোষের পশ্চাতে ছিল ঔপনিবেশিক সরকার প্রবর্তিত রাওতওয়ারি ব্যবস্থা এবং মহাজনি শোষণ। রায়তওয়ারি ব্যবস্থায় রাজস্বের হার ছিল যথেষ্ট উঁচু। এই ব্যবস্থায় সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করত। রাজস্ব আদায়ের দায়িত্বে ছিলেন গ্রামের প্যাটেল বা মোড়লরা। খরা প্রবন মহারাষ্ট্রে প্রায়ই উৎপাদনে ঘাটতি হত এবং এর ফলে কৃষকরা সরকারের খাজনার দাবি মেটাতে পারত না। তখন তারা মাড়োয়ারি মহাজন সাউকার এবং গুজরাটি মহাজন বনি 'র দ্বারস্ত হত। সাধারন কৃষকদের কুনবি বলা হত। সাউকার ও বনি' রা কুনবি দের জমি দেনার দায়ে গ্রাস করে নিতে সর্বদাই উৎসাহী থাকত। তবে অনেক পন্ডিত দাক্ষিণাত্য বিদ্রোহের পশ্চাতে এই মহাজনি শোষণকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে চান না। তাঁদের মতে, N. Charlesworth তাঁর Myth of Deccan Riots  গ্রন্থে দেখিয়েছেন কৃষজমির কেবল ৫% মহাজনেদের হস্তগত হয়েছিল। আর এদের মধ্যে স্থানীয় মহাজনই বেশি ছিলেন। কিন্তু কৃষকরা বহিরাগত কৃষকদের আক্রমণের মুলত টার্গেট করেছিল। তিন...

মোপলা বিদ্রোহ | Malabar Rebellion

 মোপলা বিদ্রোহ | Malabar Rebellion উনিশ শতকের কৃষক বিদ্রোহগুলির মধ্যে অন্যতম হল মালাবার অঞ্চলের মোপলা বিদ্রোহ (১৮৪৯-৫২)। মোপলারা আরব ব্যবসায়ীদের উত্তরপুরুষ। মালাবার উপকূলে আগত আরব ব্যবসায়ীদের একটি অংশ দেশে ফিরে না গিয়ে স্থানীয় নায়ার ও তিয়ার মহিলাদের সঙ্গে বিবাহ করে মালাবার এলাকাতেই থেকে যায় এবং কৃষিকাজকে পেশা হিসাবে বেছে নেয়। স্থানীয় দাস জাতি ছিল চেরুমা। ১৮৪৩ সালে দাস প্রথা অবলুপ্তি আইন পাশ হলে চেরুমা-রা মুক্তি পায় কিন্তু সমাজ তাদের ঠাঁই দেয় নি। ফলে এঁরা ইসলাম গ্রহণ করে। এভাবে মোপলারা সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়। এরা বেশিরভাগই ছিল ভূমিহীন কৃষক, ছোট ব্যবসায়ী বা জেলে। ১৭৯২ সালে মালাবার ব্রিটিশ অধিকারে আসে এবং মালাবার এলাকায় নতুন ভূমি ব্যবস্থা চালু হয়, যাতে স্থানীয় হিন্দু জেন্মিরা জমির মালিক হিসাবে পরিগনিত হন এবং কৃষক ও কনমদার (ভূমিস্বত্ব ভোগ দখলকারী) দের জমি থেকে উৎখাত করার অধিকার পেয়ে যান। এতদিন জেনমি, কনমদার ও কৃষকের  মধ্যে উৎপন্ন সমান সমান ভাগাভাগি হত। এই নতুন ব্যবস্থা মোপলা কৃষকদের চুড়ান্ত প্রতিকূলে যায় এবং এই শ্রেনীর মধ্যে বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়। উচ্চ কর হার এবং আইন বহির্ভূত কর আদায়, পুল...

TISCO | টাটা আয়রন এন্ড স্টিল কোম্পানি

  TISCO | টাটা আয়রন এন্ড স্টিল কোম্পানি আধুনিক ভারতে যে সকল আধুনিক শিল্পের বিকাশ ঘটেছিল লৌহ ইস্পাত শিল্প তার মধ্যে অন্যতম। রেলপথ ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশের ফলে ভারতে লৌহ-ইস্পাত শিল্পের বিকাশ ঘটেছিল। ১৮৭৫ খ্রিঃ বরাকরে বেঙ্গল আয়রন এণ্ড স্টিল কোম্পানি (BISCO) তৈরি হয়েছিল। ১৯০৩ সালে এই কোম্পানি ইস্পাত নির্মাণের উদ্যোগ নেয়, কিন্তু তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। ভারতের ইস্পাত শিল্পের ইতিহাস মুলত টাটা আয়রন এন্ড স্টিল কোম্পানির (TISCO) ইতিহাস। TISCO গড়ে ওঠার ইতিহাসে তিনজন ব্যক্তির নাম অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। এঁরা হলেন জামশেদজি টাটা, তাঁর পুত্র দোরাবজি টাটা এবং ভূতত্ত্ববিদ প্রেমনাথ বসু। ১৯০৩-৪ সালে প্রেমনাথ বসু ওড়িশার ময়ুরভঞ্জ এলাকায় আকরিক লোহার খনি আবিস্কার করেন। এই এলাকা ছিল বাংলার কয়লা খনি গুলির খুব কাছে অবস্থিত। এর পর জামশেদপুরকে বেছে নেওয়া হয় ইস্পাত কারখানা গড়ে তোলার জন্য। TISCO গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ভারতের ঔপনিবেশিক সরকারের গুরুত্ব কম নয়। ১৯০৫ সালে ভারত সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প দপ্তর সরকারি রেলের তরফে টাটাদের সাথে এক দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করে। ঠিক হয় যে আগামী ১০ বছরে রেল কোম্পানী টাটাদের কাছ থেকে ২০,...

Great Calcutta Killing | Jinnah's Direct Action Day | প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস |

Great Calcutta Killing | Jinnah's Direct Action Day | গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং | জিন্নাহ্'র প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস  (English Virsion) The Direct Action Day, also known as the Great Calcutta Killing, was an extremely violent incident in the history of Bengal, specifically in Calcutta (now Kolkata), during the pre-independence era of India. It was a consequence of the divide-and-rule policy introduced throughout India after the suppression of the 1857 Rebellion by the British rulers. The development of communal politics in India, fueled by the Muslim League, Arya Samaj, Hindu Mahasabha, and the R.S.S. led to the intensification of the struggle for India's independence along communal lines. Under the leadership of the Muslim League, the demand for the creation of a separate state, Pakistan, gained momentum. Mohammad Ali Jinnah, the leader of the Muslim League, advocated for the formation of Pakistan, which included Bengal also. However, only 48.3% of the population in Bengal was ...

মহারানী ঘোষণাপত্র | Maharani's Declaration

মহারানী ঘোষণাপত্র | Maharani Declaration নিষ্ঠুর হাতে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহকে দমন করার পর ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী ভারতে তাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে নতুনভাবে চিন্তাভাবনা শুরু করে এই প্রক্রিয়ারই অনিবার্য পরিণতি ছিল ১৮৫৮ সালের পয়লা নভেম্বরের রাজকীয় ঘোষণা, যা মহারানীর ঘোষণা নামে পরিচিত। কোম্পনীর শাসনের অবসান ঘটিয়ে মহারানী ভিক্টোরিয়া সরাসরি ভারতের শাসনভার গ্রহণ করেন। মহাবিদ্রোহের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং। কিন্তু ১৮৫৮-এর আইনের মাধ্যমে গভর্নর জেনারেল কে ভাইসরয়-এ পরিণত করা হয়। লর্ড ক্যানিং হলেন ভারতের প্রথম ভাইসরয়। ব্রিটিশ সম্রাট বা সম্রাজ্ঞীর নামে ভারত সচিব ভারতবর্ষকে প্রত্যক্ষভাবে শাসন করতে থাকলেন। ভারত সচিব শাসনতান্ত্রিক কাজে সহযোগিতা করার জন্য গঠিত হলো ১৫ জনের সদস্য বিশিষ্ট একটি কাউন্সিল। এবার থেকে ভারত সচিব ও ভাইসরয়ের পারস্পরিক রসায়নের উপর ভারতের শাসন নির্ভর করতে থাকল। এই ঘোষণাপত্রে ভারতীয় শাসন ব্যবস্থায় কতগুলি নতুন নীতি ও আদর্শের কথা ঘোষণা করে জনগণকে আশ্বস্ত করা হয়। সেগুলি হল-- ১) ভারতবাসীর ধর্মীয় ও সামাজিক কোন ব্যাপারেই সরকার কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবে ...

রায়তওয়ারি বন্দোবস্ত | Roytwari Settlement

 রায়তওয়ারি বন্দোবস্ত বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের পর থেকে কোম্পানী সরকার ভারতের অন্যান্য এলাকায় এর প্রসার ঘটানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে এবং বম্বে প্রেসিডেন্সিতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রসারের ক্ষেত্রে কতগুলি সমস্যা সামনে আসে, যার ফলস্বরূপ ওই দুই প্রেসিডেন্সিতে নতুন এক ভূমি বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়, যা রায়তওয়ারি বন্দোবস্ত নামে পরিচিত। মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির ক্ষেত্রে প্রথমে (উনিশ শতকের প্রথম দিকে) স্থানীয় পলিগারদের জমিদার বলে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সাথেই বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। আর যেখানে পলিগারদের পাওয়া যায়নি সেখানে কয়েকটি গ্রামের এক একটি খামার গঠন করে সর্বোচ্চ নিলাম দাতাকে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই কোম্পানি সরকার উপলব্ধি করে যে, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে জমি থেকে আয় বৃদ্ধির আর সম্ভাবনা থাকে না। দ্বিতীয়ত, প্রভাবশালী ও ক্ষমতালোভি পলিগারদের দমন করা দরকার,  কারণ এরা বারবার বিদ্রোহ করে। এর চেয়ে ছোট ছোট কৃষক ভূস্বামীদের বশীভূত রাখা সহজ।  তৃতীয়ত, ডেভিড রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব এই সময় ব্রিটিশ প্রশাসকদের একাংশকে প্রভাবিত করেছিল। তার...

ভারতের উপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিঘাত | Impact of World War-- I in India

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিঘাত ভারতের উপর কিভাবে পড়েছিল?   ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে জার্মানির বিরুদ্ধে বৃটেনের যুদ্ধ ঘোষণার ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়। বৃটেনের উপনিবেশে হিসাবে ভারত অনিচ্ছা সত্ত্বেও এবং খানিকটা অজান্তেই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ভারতের বহু মানুষ ও সম্পদকে এই যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। এর ফলে ভারতের উপর যুদ্ধজনিত চাপের অনেকাংশই পড়ে, যার প্রতিফল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দেখা যায়। ভারতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের অধিকাংশ ব্রিটিশদের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা করেন, যুদ্ধান্তে স্বায়ত্তশাসন পাওয়ার আশায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ দেশবাসীকে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে ফেলে দেয়। যুদ্ধ শুরু হবার সাথে সাথে সামরিক খরচ বেড়ে যায়। ফলে যুদ্ধ বাবদ ঋণ প্রচুর পরিমানে বেড়ে যায়। ফলে কর আদায়ের বেড়ে যায়। ভূমিরাজস্ব স্থিরীকৃত হয়ে গিয়েছিল বলেই ব্যবসা ও শিল্পের উপর পরোক্ষ কর বাড়ি দেওয়া হয়। এই করের বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ে সাধারণ মানুষের উপর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে। অংশত পরোক্ষ কর, অংশত পরিবহন ও অন্যান্য আর্থিক অচলাবস্থার কারণে ভয়ংকর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি দেখা দেয়। ১৯১৮-১৯ ও ১৯২০-২১ সালে দু...

রাওলাট সত্যাগ্রহ | Rawlat Satyagraha

রাওলাট সত্যাগ্রহ  চম্পারন, খেদা ও আমেদাবাদ সত্যাগ্রহের আংশিক সাফল্যের পর গান্ধী চাইলেন তার সত্যাগ্রহের অস্ত্রকে সর্বভারতীয় কোন দাবির প্রেক্ষিতে প্রয়োগ করতে। আর সে সুযোগ করে দিল রাওলাট আইন। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে কুখ্যাত জনবিরোধি রাওলাট আইন জারি করে বলা হয়, পুলিশ যে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে রাজদ্রোহী হিসেবে বিবেচিত করে তাকে বিশেষ আদালতে হাজির করতে পারবে, তাকে বিনা বিচারে দু'বছর আটক করে করা যাবে। এই আইনের রাজদ্রোহমূলক বলে ঘোষিত কোন পুস্তিকা বাড়িতে রাখাও রাজদ্রোহ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। নিঃসন্দেহে এই আইন ছিল ভারতীয় বিপ্লবীদের দমন করার উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ সরকারের অগণতান্ত্রিক একটি কৌশল। সমসাময়িক পত্র-পত্রিকাগুলি এবং হোমরুল নেতারা এই জনবিরোধী আইনের প্রতিবাদে সরব হয়। গান্ধী ডাক দেন সত্যাগ্রহের। হোমরুল লীগের বহু সদস্য তাঁকে সমর্থন জানান। তবে কংগ্রেসের নরমপন্থী ও চরমপন্থী গোষ্ঠী তাঁর বিরোধিতা করে। উপবাস, প্রার্থনা এবং সভা সমিতির মাধ্যমে গান্ধী রাওলাট আইনের প্রতিবাদ করতে বলেন। কিন্তু আন্দোলন শীঘ্রই হিংসাশ্রয়ী হয়ে ওঠে, বিশেষ করে ৯ এপ্রিল গান্ধীর কারারুদ্ধ হবার পর। জনরোসের পালটা জবাবে সরকার...

বঙ্গভঙ্গের উদ্দেশ্য |

  বঙ্গভঙ্গের উদ্দেশ্য  জনবিরোধী শাসক হিসেবে লর্ড কার্জনের এমনিতেই কুখ্যাতি ছিল। কিন্তু তাঁর যে পদক্ষেপটি জনসাধারণের সবচেয়ে বেশি অপ্রিয় হয়েছিল সেটি হল বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের আয়োজন করা হয়েছিল। বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই উনিশ শতকের প্রথম দশক থেকেই বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন কমানো সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাব তোলা হচ্ছিল। একবার আসাম ও সিলেটকে বাংলা থেকে আলাদা করার কথা উঠে। ১৮৯৬-৯৭ সালে আসামের মুখ্য কমিশনার উইলিয়াম ওয়ার্ড প্রস্তাব দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগ, ঢাকা ও ময়মনসিংহকে অন্তর্ভুক্ত করে আসামকে সমর্থবান করা হোক। ১৯০৩ সালের মার্চ মাসে বাংলার ছোটলাট এন্ড্রু ফ্রেজার বাংলার আঞ্চলিক পুনর্বিন্যাস' সংক্রান্ত একটি মিনিটে ওয়ার্ডের প্রস্তাবকে উত্থাপন করেন এবং বড়লাট কার্জন প্রস্তাবের সামান্য কাটছাঁট করে বঙ্গভঙ্গ-এ সম্মত হন। স্বরাষ্ট্র সচিব রিজলির একটি চিঠিতে সর্বপ্রথম ১৯০৩ সালে ৩রা ডিসেম্বর বঙ্গভঙ্গের কথা ঘোষণা করা হয়। অ্যান্ড্রু ফেজার, রিজলি এবং কার্জনের যৌথ উদ্যোগে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা বাস্...

CC4/GE4 HISTORY GENERAL SYLLABUS CU

 Syllabus CC-4/GE-4 History  of  India;  1707-1950.  I.  Interpreting  the  18th Century. (অষ্টাদশ শতকীয় বিতর্ক) II.  Emergence  of  Independent  States  &establishment  of  Colonial  power. (অঞ্চলিক রাজশক্তির উত্থান ও ঔপনিবেশিক শক্তির প্রতিষ্ঠা) III.  Expansion &consolidation of  Colonial  Power  upto 1857. ( ব্রিটিশ উপনিবেশিক শক্তির বিস্তার ও সংহতিকরণ) IV.Uprising  of  1857:  Causes, Nature  &Aftermath. ( 1857 মহাবিদ্রোহ কারণ, প্রকৃতি ও ফলাফল) V. Colonial  economy:  Agriculture,  Trade  &  Industry. ( উপনিবেশিক অর্থনীতি: কৃষি, বাণিজ্য ও শিল্প) VI.Socio-Religious  Movements  in the  19th century. ( ১৯ শতকীয় ধর্মীয় ও সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন) VII. Emergence  & Growth of  Nationalism  with focus  on Gandhian nationalism. ( জাতীয়তাবাদের উদ্ভব ও বিকাশ- গান্ধীবাদী রাজনীতি) VIII. Communal...

ব্রিটিশ শক্তির সম্প্রসারণ প্রতিরোধে মাইসোরের অবদান | Hydar Ali and Tipu Sulatan

ব্রিটিশ শক্তির সম্প্রসারণ প্রতিরোধে মাইসোরের অবদান ওয়েদর বংশীয় রাজাদের ক্ষমতাচ‍্যুত করে হায়দার আলীর 1761 খ্রিস্টাব্দে মহীশূরের ক্ষমতা দখল করেন। 1764 এর মধ্যে হায়দার আলী পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলি দখল করে মহীশূরকে একটি শক্তিশালী রাজ্যে পরিণত করেন। মহীশুরের অমিত সম্পদ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মাদ্রাজ কুটিকে প্রলুব্ধ করেছিল। রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের কালো মাটিতে প্রচুর তুলা চাষ হতো। পশ্চিম দিকেও মৃত্তিকা অত্যন্ত উর্বর। প্রচুর দক্ষ কারিগর এবং আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের প্রচুর্য মহীশুরের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছিল। ফরাসিদের সাথে ঘনিষ্ঠতা মাদ্রাজ কুঠির উষ্মার অন্যতম কারণও ছিল। তার দরবারে একাধিক ফরাসি অফিসারদের যাতায়াত ছিল। ইঙ্গ-ফরাসি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হায়দার ফরাসিদের নানাভাবে সাহায্য করেছিল। তবে এর পিছনে হায়দারের মনে ইংরেজ বিরোধী কোন মনোভাব ছিল না। ছিল ফরাসিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। কারণ ফরাসিরা মহীশুরের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার সময় হায়দারকে সাহায্য করেছিল। হায়দার ইংরেজ মিত্র আর্কটের নবাবের শত্রুদের নানাভাবে সাহায্য করে ব্রিটিশের আরও বিরাগভাজন হন। মাহফুজ খানকে আশ্রয় দেন, চাঁদা সাহেবের পুত্রকে চাকরি দেন। এছাড়া...

1857 এর বিদ্রোহের চরিত্র

1857 এর বিদ্রোহের চরিত্র 1857-র বিদ্রোহ ভারতের ঔপনিবেশিক শাসনের ইতিহাসে এক জলবিভাজিকা স্বরূপ। পূর্ববর্তী বিদ্রোহ গুলির তুলনায় আকার আয়তনে এই বিদ্রোহ ছিল ব্যাপকতর। বিদ্রোহের ব্যাপকতা ও গুরুত্ব নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে সন্দেহ নেই কিন্তু এর প্রকৃত চরিত্র উদঘাটন করতে গিয়ে প্রায় বিদ্রোহের সমসাময়িক কাল থেকেই বিতর্কের সূচনা হয়েছে। বিতর্কের তিনটি দিক 1. এই বিদ্রোহ কেবল সিপাহী বিদ্রোহ না গণবিদ্রোহ? 2. এই বিদ্রোহ কি সামন্ত শ্রেণীর প্রতিক্রিয়া? 3. এই বিদ্রোহকে জাতীয় সংগ্রাম বলা যায় কিনা? সমসাময়িক ইংরেজ চার্লস রেইকস তাঁর Notes on the Revolt in North Western Province of India গ্রন্থে 1857 এর বিদ্রোহকে সিপাহী বিদ্রোহ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সমসাময়িক বেশ কিছু ভারতীয় একই রকম মত পোষণ করেছেন। কিশোরী চাঁদ মিত্র এই বিদ্রোহ গণবিদ্রোহের ছিটেফোটাও লক্ষ্য করতে পারেননি শম্ভুচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় লেখাতেও একই রকম কথা উঠে এসেছে। একথা ঠিক যে বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল ভারতে ব্রিটিশ আর্মির ভারতীয় সৈনিকদের দ্বারা। তবে পরবর্তীকালে কৃষক কারিগর এবং সাধারণ মানুষ এই বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেছ...

বাংলায় অর্থনৈতিক নিষ্ক্রমণ (1757-1857) | Economic Drain in Bengal (1757–1857)

বাংলায় অর্থনৈতিক নিষ্ক্রমণ (1757-1857) বাংলায় উপনিবেশিক অর্থনীতির প্রত্যক্ষ ফলশ্রুতিতে সম্পদ নিষ্ক্রমণ। ১৮ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজির ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পরোক্ষভাবে হলেও বাংলার রাজনীতিতে অধিপত্য স্থাপন করে। রাজনৈতিক অধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুবাদে ইংরেজরা নানা কৌশলে বাংলা থেকে প্রচুর সম্পদ নিজ দেশে চালান করে। এর প্রতিদানে বাংলা কিছুই পাইনি, বাংলা থেকে নিয়মিত একমুখী সম্পদ নিঃসরণকে ঐতিহাসিক ও সমাজবিজ্ঞানীগণ আর্থিক নিষ্ক্রমণ বা Economic drain বলে উল্লেখ করেছেন।  ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, বাংলা থেকে আর্থিক নিষ্ক্রমণ মূলত দুটি ধারায় হয়েছিল। ১. ব্যক্তিগত বাণিজ্যে লিপ্ত বণিকদের মাধ্যমে। ২. কোম্পানির অনুসৃত আর্থিক ও বাণিজ্যিক নীতির মাধ্যমে। পলাশী পরবর্তী বাংলায় নবাব বদলের ব্যবসা করে ইংরেজ কর্মচারীরা প্রচুর অর্থ লাভ করেছিল। এই অর্থ এসেছিল মূলত উপঢৌকান এবং নজরানা আদায়ের মাধ্যমে। এভাবে অবৈধ উপায়ে সম্পদ সংগ্রহের ব্যাপারে রবার্ট ক্লাইভের নাম উল্লেখযোগ্য।  পলাশী পরবর্তী বাংলায় কোম্পানির কর্মচারীরা ব্যক্তিগত বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রচুর মুনাফা অর্জন করেছিল। ওরা এই কাজে দস্তকের...

পিটের ভারত শাসন আইন | Pitt's India Act

পিটের ভারত শাসন আইন | Pitt's India Act  রেগুলেটিং আইনের নানান ত্রুটি ছিল। এই আইনের দ্বারা ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারতে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ওপর যথার্থ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।  কাউন্সিলের ওপর গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা কতটা, মাদ্রাজ ও বোম্বে প্রেসিডেন্সির গভর্নরদের ওপর বাংলার গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা কতটা-- সবকিছুই ধোঁয়াশার মধ্যে থেকে গেছিল। তাই একটি নতুন আইন পাশ করার প্রয়োজন অনুভূত হয়। এই উদ্দেশ্যেই ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী উয়িলিয়াম পিট এর নেতৃত্বে একটি নতুন নিয়ন্ত্রনী আইন (১৭৮৪ খ্রীঃ) পাশ হয়, যা পিটের ভারত শাসন আইন নামে পরিচিত। পিটের ভারত শাসন আইনে বলা হল:  ব্রিটিশ সরকারের অর্থসচিব, সেক্রেটারি অফ স্টেট এবং রাজা কর্তৃক মনোনীত চারজন ব্রিটিশ কাউন্সিলের সদস্য কে নিয়ে বোর্ড অফ কন্ট্রোল গড়ে উঠবে। বোর্ড অফ কন্ট্রোল এর হাতে ভারত শাসন তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব থাকবে। কোম্পানির সামরিক ও বেসামরিক শাসন কার্য পরিচালনা, রাজস্ব ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করার এবং কোম্পানির কাগজপত্র দেখাশোনা করার অধিকার দেওয়া হয়। ডিরেক্টর সভা বোর্ড অফ কন্ট্রোল এর হাতে সমস্ত কাগজপত্র প্রদান...

রেগুলেটিং আইন | Regulating Act

রেগুলেটিং আইন | Regulating Act  ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর সাম্রাজ্যের উপর  ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রথম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু হয় 1773 খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং অ্যাক্ট এর মাধ্যমে। রেগুলেটিং আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য ছিল তিনটি। যথা:  1) কোম্পানির অংশীদার ও পরিচালকদের মধ্যে সম্পর্ক নির্দিষ্ট করা।  2) কোম্পানির উপর ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করা।  3) বম্বে মাদ্রাজ কুঠির সঙ্গে কলকাতা কুঠির সম্পর্ক নির্ধারণ করা। রেগুলেটিং আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বলা হয় 'Court of Directors' ব্রিটিশ সরকারের কাছে কোম্পানির শাসন ও অর্থনৈতিক সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পেশ করতে বাধ্য। মাদ্রাজ ও বোম্বে কুঠির উপরে কলকাতা কুঠির প্রাধান্য স্থাপিত হবে। পূর্ববর্তী 'বাংলার গভর্নর' পদ বদলে হবে "বাংলার গভর্নর জেনারেল"। গভর্নর জেনারেলের চারজন কাউন্সিল থাকবে এবং এরা পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। কমপক্ষে 1000 পাউন্ড শেয়ারধারীরা একটি করে ভোট দেবে 3000, 6000 ও 10000 পাউন্ড শেয়ারধারীরা যথাক্রমে 2, 3 ও 4 টি করে ভোট দেবে। গভর্নরকে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত নিয়ে চলতে হবে। প্রথম গভর্নর জেনা...

Dirozio | Young Bengal | ডিরোজিও ও নব্যবঙ্গ আন্দোলন

Please visit our  Homepage and Subscribe us. Dirozio | Young Bengal | ডিরোজিও ও নব্যবঙ্গ আন্দোলন অধ্যাপক অমলেশ ত্রিপাঠী তার "ইতালীয় রেনেসাঁ ও  বাঙালির সংস্কৃতি" গ্রন্থে লিখেছেন, যেকোনো উপনিবেশিক দেশের নবজাগরণে দুটি প্রক্রিয়া সচল থাকে-- একটি শক্তি বাইরে থেকে এসে ঐতিহ্যবাহী সমাজের ওপর আঘাত হানে, অপরটি হল ভিতরের শক্তি, যা ভেতর থেকে দরজা খুলে দিয়ে পরিবর্তনকে আহ্বান করে। হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ও তার ছাত্রগোষ্ঠী 'নব্যবঙ্গ' ছিল এই ভিতরে শক্তি, যারা উনিশ শতকীয় বাংলায় ভেতর থেকে দরজা খুলে দিয়ে নবজাগরণের পথ প্রশস্ত করেছিল। জন্মসূত্রে ডিরোজিও (১৮০৯-১৮৩১) ছিলেন ইউরেশিয়ান, পিতা পর্তুগিজ, মাতা ভারতীয়। পশ্চিমী সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, যুক্তিবাদ ও ফরাসি বিপ্লব প্রসূত চিন্তাভাবনার ব্যাপক প্রভাব ছিল তার ওপর। অল্প বয়সেই তিনি একজন আদর্শবাদী, ধর্মনিরপেক্ষ, মানবতাবাদী, আধুনিক মানুষের হয়ে উঠেছিলেন। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির মধ্য দিয়ে তিনি অল্পবয়সেই খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।  ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৮২৬-২৭) মাত্র ১৭ বছর বয়সে হিন্দু কলেজের ইতিহাস ও সাহিত...

|| ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধীর উত্থান || Rise of Gandhi

ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধীর উত্থান ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধীর আগমন এক বৈপ্লবিক ঘটনা। ১৯১৫ খিস্টাব্দে গান্ধীর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফেরত আসার আগের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে জুথিড  ব্রাউন 'উদ্দেশ্য মূলক সীমাবদ্ধতার রাজনীতি' বলে উল্লেখ করেছেন, যার মোদ্দা কথা এই যে, সীমিত সংখ্যক পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত লোকজন রাজনীতিতে অংশ নিতেন এবং এরা ব্রিটিশ রাজ যে সমস্ত সুযোগ সুবিধা এদেশীয়দের দিত সেগুলির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে চাইতেন। ভারতবর্ষের সুদূরপ্রসারী সামাজিক বা অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটানোর ব্যাপারে এরা ছিলেন উদাসীন। এই সীমিত রাজনীতির ব্যর্থতার পেক্ষাপটে সুরাট বিচ্ছেদের মত ঘটনা ঘটে। যদিও সাধারণ মানুষের চোখে এই চরমপন্থী ও নরমপন্থী দের মধ্যে কোন পার্থক্য ছিল না। চরমপন্থীরা তাদের আঁতুড়ঘর বাংলা, মহারাষ্ট্রে ও পাঞ্জাবে, বিপ্লবী সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ফলে সরকার যে ব্যাপক দমননীতি শুরু করে, তাতে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। নরমপন্থীদের নিষ্ক্রিয় কার্যকলাপ তার গুরুত্ব পরিদর্শনে ব্যর্থ হয়। ভারতীয় রাজনীতিতে এই অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে গান্ধীর উত্থান ঘটে। প্রকৃতপক্ষে গান্ধীর যখন উত্থান ঘটে তখন তার প্রত...

মহাবিদ্রোহের কারণ

Friends, if you like this post please comment and share it. মহাবিদ্রোহের কারণ ১৮৫৭ সালে উত্তর ও মধ্য ভারতের বেশ কিছু অঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহ দেখা দেয়। এর ফলে সেসব অঞ্চলে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে বসন্তকাল পর্যন্ত ব্রিটিশ শাসন ভেঙে পড়ে। সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনীর সাহায্যে যদিও আবার শৃঙ্খলা আবার ফিরিয়ে আনা হয়। এবং কোম্পানি ও বিদ্রোহী উভয় তরফ থেকে ব্যাপক হিংসার আশ্রয় নেওয়া হয়। যেহেতু বেঙ্গল আর্মির সেনারাই এই বিদ্রোহ শুরু করে তাই অনেক দিন ধরেই একে সিপাহিদের বিদ্রোহ বলা হত। কিন্তু বিদ্রোহে উত্তর ভারতের দুর্দশাগ্রস্ত কৃষকদের যোগদান প্রচলিত ধারণাকে বদলে দিয়েছে। তাই এই বিদ্রোহের কারণ শুধু সিপাহী অসন্তোষের মধ্যে নয়, বহুদিন ধরে ঘটমান  আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে খুঁজতে হবে। মহাবিদ্রোহের কারণ হিসেবে সেনা অসন্তোষ এর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ১৮২০ দশক থেকে সার্বজনীন সামরিক সংস্কৃতি চালু করার উদ্দেশ্যে সেনা প্রশাসনের ওপর অধিকতর নিয়ন্ত্রণ চাপানো হয়। ফলে সেনাবাহিনীর ভারতীয় সৈন্যরা পূর্বে যেসব জাতিগত সুযোগ সুবিধা পেত তা থেকে বঞ্চিত হয়। এর ফলে প্রতিরোধও শুরু হয়ে যায়। ১৮৫৭ জ...