মুঘল রাষ্ট্রের প্রকৃতি ভারতে মুঘল শাসনের প্রকৃতি নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। বিতর্কের প্রধানতম দিক মুঘল রাষ্ট্র কি ধর্মাশ্রয়ী বা Theoeracy? যদি না হয় তাহলে কি স্বৈরাচারী? আর যদি স্বৈরাচারী হয় তাহলে সেটা কি নিরঙ্কুশ নাকি জনকল্যাণমূলক? মুঘল রাষ্ট্র কতটা সামরিক ও কতটা অভিজাততান্ত্রিক তা-ও বিতর্কের বিষয়। ঐতিহাসিক শ্রীরাম শর্মা এবং ইশতিয়াক হুসেন কুরেশি মুঘল রাষ্ট্র ব্যবস্থার সাম্প্রদায়িক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। শ্রীরাম শর্মা তাঁর The Religious Policy of Mughal Emperor গ্রন্থে দেখিয়েছেন যে মুঘল শাসকরা প্রত্যেকে ছিলেন ধর্ম গোঁড়া একমাত্র আকবর ছাড়া। তিনি সবচেয়ে বেশি আঙ্গুল তুলেছেন অরঙ্গজেবের দিকে। ধর্মীয় বিদ্বেষবসত কারণে আকবর থেকে ঔরঙ্গজেব সকলেই শাসনব্যবস্থায় হিন্দুদের নিয়োগ করতে চাইতেন না। তাই দরবারে হিন্দুর সংখ্যা ছিল কম। হিন্দুদের কাছ থেকে নিপীড়নমূলক জিজিয়া আদায় করতেন এবং মন্দির ধ্বংস সহ হিন্দুদের নানা অকারণ হেনস্তার শিকার হতে হত। কিন্তু আলীগড় ঐতিহাসিক আতাহার আলি উক্ত গ্রন্থের সমালোচনা করে যা প্রকাশিত হয়েছে ইরফান হাবিব সম্পাদিত মধ্যকালীন ভারত- এর দ...