সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

CC14 লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধ | Vietnam War

ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধ | Vietnam War দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে বিশ্ব রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল ভিয়েতনামের মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধ একাধারে উপনিবেশবাদ ও নয়াউপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে গনসংগ্রামের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং এশিয়ার মাটিতে ঠান্ডা লড়াইয়ের উৎকট বহিপ্রকাশ। ভিয়েতনামের মুক্তি সংগ্রামের দুটি পর্ব - প্রথমটি ফরাসি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম (১৯৪৫-৫৪) এবং দ্বিতীয়টি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রাম (১৯৫৪-৭৫)। হো-চি-মিনের নেতৃত্বে শেষপর্যন্ত ভিয়েতনামের জনগনের জয় হয়েছিল এবং স্বাধীন সমাজতন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ ভিয়েতনাম আত্মপ্রকাশ করেছিল।  ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রথম পর্ব  ভিয়েতনাম সহ অন্নাম, টংকিং ও কোচিন চীন তথা সমগ্র ইন্দোচীনের উপর ফরাসি উপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সাময়িক ভাবে ইন্দোচীন জাপানের অধীনে চলে যায়। বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর ফ্রান্স পুনরায় মার্কিন চাপের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ইন্দোচীনের ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে উদ্যত হয়। এদিকে বামপন্থী নেতা হো-চি-মিন-এর নেতৃত্বে প্রবল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রাম গড়ে ওঠে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চ...

কিউবা-মার্কিন সম্পর্ক| | Cuba-USA Relationship

কিউবা-মার্কিন সম্পর্ক| | Cuba-USA Relationship ফালজেন্সিও বাতিস্তা দ্বিতীয়বার কিউবায় ক্ষমতা আরোহন করে (১৯৫২) স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিমধ্যে ফিদেল কাস্ত্রো ও তার ভাই রাউল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে প্রতিবাদী আন্দোলন কিউবায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। কাস্ত্রো ভাতৃদ্বয় কিউবায় বেশ জনসমর্থন লাভ করেন। মার্কিন প্রশাসনও বাতিস্তার স্বৈরশাসনে বিরক্ত হয়ে ওঠে। এমন সময় ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে ফিদেল কাস্ত্রো বিপ্লবের মাধ্যমে কিউবায় ক্ষমতা দখল করেন। প্রথমদিকে কিউবার সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক মোটামুটি ভালই ছিল। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যে ফিদেল কাস্ত্রো কিউবায় আধুনিকীকরণের জন্য যে একের পর এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল সেগুলি মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে গেছিল। একই সাথে সোভিয়েত তথা কমিউনিস্ট দুনিয়ার সঙ্গে কাস্ত্রোর সংসর্গ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। এর ফলে মার্কিন এর সাথে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল এবং একটা সময় তা সংঘর্ষের রূপ পরিগ্রহ করেছিল। ফিদেল ক্ষমতায় এসে প্রথম দিকে মার্কিন বিরোধিতার পরিচয় দেননি। বাতিস্তার অপশাসন মার্কিনকে ফিডেলের প্রতি সুহৃদ করেছিল। ফিদেলকে মার্কিন সরকার একজন সংস্কারপন্থী শাসক হিসেবেই দেখেছিল। ১৯৫৯ খ...

SAARC

 SAARC  ১৯৮০ দশকেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক সংগঠন গড়ে তোলার সর্বপ্রথম পরিকল্পনা করেছিলেন তদানীন্তন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এই পরিকল্পনার ফলশ্রুতি হিসেবে পরবর্তীকালে গড়ে ওঠে সার্ক অর্থাৎ South Asian Association for Regional Cooperation (SAARC)। ১৮৮৫ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে সার্কের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। বর্তমানে যে সাতটি দেশ সার্কের অন্তর্ভুক্ত সেগুলি হল বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকা।  সার্কের সনদে এই সংগঠনের যে উদ্দেশ্যগুলির কথা বলা হয়েছিল সেগুলি হল ১) দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। ২) এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং প্রতিটি ব্যক্তির মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। ৩) দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলির মধ্যে ঐক্য ও আত্মবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি করা। ৪) পারস্পরিক বিশ্বাস ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে একে অন্যের সমস্যা উপলব্ধি করা। ৫) অর্থনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রভৃতি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা স্থাপন করা।  ৬) অন্যা...

ASEAN

 ASEAN দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন। এশিয়া মহাদেশে গড়ে ওঠা এরকম একটি আঞ্চলিক সংগঠন হলো আসিয়ান। ১৯৬৭ সালের আগস্ট মাসে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার পাঁচটি রাষ্ট্র থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং সিঙ্গাপুর মিলিত হয় এবং নিজেদের মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে আসিয়ান (ASEAN) গড়ে তোলে। পরবর্তীকালে আসিয়ানে যথাক্রমে যোগদান করে ব্রুনেই, ভিয়েতনাম, লাওস, মায়ানমার এবং কম্বোডিয়া। বর্তমানে আসিয়ানের মোট সদস্য সংখ্যা দশ এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহরে এর স্থায়ী সচিবালায় অবস্থিত। ১১৯৬৭ সালের ব্যাংকক ঘোষনায় আসিয়ানের মুখ্য উদ্দেশ্যগুলি ঘোষণা করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রগতি এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা উদ্দেশ্যে আসিয়ান কাজ করবে। এছাড়া এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে ও নিজেকে নিয়োজিত করবে। ১৯৭৬ সালে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত প্রথম আসিয়ান সম্মেলনে এই সংগঠনের মৌলিক নীতিগুলি ঘোষিত হয়। মৌলিক নীতিগুলি হ...

আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার (IMF)

আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার (IMF) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে যে অর্থনৈতিক অবক্ষয়, অনিশ্চয়তা ও সংকটের সৃষ্টি হয়েছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তাকে আরো জটিল ও ভয়াবহ করে তুলল। পরবর্তী ইউরোপের অর্থনৈতিক চেহারা কেমন হবে, কিভাবে আর্থিক লেনদেনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে নতুন বিশ্ব, আন্তর্জাতিক অর্থনীতি কোন পথে চলবে, এর চালিকাশক্তিই বা কে হবে-- এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আহ্বান করলেন তৎকালীন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হেনরি মর্গানথো। সম্মেলন বসল ১৯৪৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিটন উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে। সারা বিশ্বের ৪৪টি দেশের ৭০০ জন প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করলেন এবং সম্মেলনের প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার প্রতিষ্ঠিত হলো। ১৯৪৭ সালের ১লা মার্চ থেকে এই সংস্থা তার কাজ শুরু করলো। আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের একাধিক ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল:  ১) আর্থিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ২) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো যাতে সদস্য রাষ্ট্রগুলির সর্বাধিক কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি ঘটে। ৩) সদস্য রাষ্...

The Apartheid Movement and the Indomitable Spirit of Nelson Mandela

The Apartheid Movement and the Indomitable Spirit of Nelson Mandela The apartheid movement, an era of racial segregation and oppression, held South Africa in its grip for several decades. This dark chapter in history witnessed the rise of an extraordinary leader, Nelson Mandela, whose unwavering commitment to justice and equality forever changed the course of the nation. Mandela's significant contributions and unyielding spirit played a pivotal role in dismantling apartheid and laying the foundation for a united, democratic South Africa The Apartheid Era: Apartheid, a system of institutionalized racial segregation, was enforced by the National Party in South Africa from 1948 to 1994. Under apartheid, people were classified into different racial groups and denied basic human rights based on their skin color. Laws and policies were implemented to segregate communities, restrict movement, and discriminate against non-white individuals in all spheres of life, including education, emplo...

Globalisation: Defination & the Impact on Third World | বিশ্বায়নঃ সংজ্ঞা এবং তৃতীয় বিশ্বের উপর প্রভাব

বিশ্বায়নঃ সংজ্ঞা এবং তৃতীয় বিশ্বের উপর প্রভাব সংজ্ঞা  বিশ্বায়ন (Globalisation) বা ভুবনায়ন আজ অত্যন্ত পরিচিত একটি শব্দ। বিগত চার দশক ধরে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া ও কর্মসূচী বিভিন্ন দেশের সমাজের সর্বস্তরকে প্রভাবিত করেছে। বিশ্বায়ন শব্দটি এত বিভিন্ন অর্থে এবং বিভিন্ন প্রসঙ্গে ব্যবহার করা হয় যে এর কোনো সর্বজনগ্রাহ্য সংজ্ঞা দেওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। সাধারন ভাবে বিশ্বায়ন বলতে অর্থনৈতিক নীতি, পদ্ধতি ও কর্মকাণ্ডের ভুবনায়িত অবস্থাকে বোঝায়, যার মুল লক্ষ্য হবে বিশ্বব্যাপী উৎপাদন ও মুলধনের বিরাষ্ট্রীয়করণ তথা আন্তঃরাষ্ট্রীয়করণ। অর্থাৎ প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও বাজারের মধ্যে কোনো রাষ্ট্রীয় সীমানার বেড়া না থাকা এবং সমস্ত বিশ্বটাকেই একটি বাজারে পরিণত করা। এই তত্ত্ব অনুযায়ী কোনো দেশেরই প্রয়োজন পড়ে না স্বনির্ভর হওয়ার, কারণ সমস্ত পৃথিবীটাই এখানে পরস্পর পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। বিশ্বায়নের সাথে তাই মুক্ততা এবং উদারীকরণের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। এখানের রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও খবরদারি নেই। আছে একাধিক বৃহৎ বৃহৎ বহুজাতিক সংস্থার (MNC) সক্রিয়তা, যাদের আর্থিক ক্ষমতা তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশে আর্থিক সঙ্গতির থেকে বেশি। ...

Afganistan Crisis (1973-2022) | আফগানিস্তান সংকট

 Afganistan Crisis (1973-2022) | আফগানিস্তান সংকট  মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত আফগানিস্তান প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে পূর্ণ একটি দেশ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী রাজনীতিতে বৃহৎ শক্তিগুলির নজর ছিল আফগানিস্তানের উপর। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক পর্ব থেকেই আফগানিস্তান ছিল দুর্বল, পশ্চাদগামী এবং গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জীর্ণ। মহম্মদ জাহির শাহ'র হাতে দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে আফগানিস্তান শাসিত হয় এবং ১৯৭৩ সালে তাঁর ইউরোপ ভ্রমণকালে এক প্রাসাদ অভভুত্থানে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। তাঁরই এক আত্মীয় মুহম্মদ দাউদ খান কমিউনিস্ট পার্টি  PDP (People's Democratic party) এর সহযোগিতায় ক্ষমতা দখল করেন। দাউদ আফগানিস্তানে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। এভাবে আফগানিস্তানে রাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান হয়।  সোভিয়েত আগ্রাসন  PDP এর দুটি গোষ্ঠী ছিল-- খাল্ক ও পারচাম। প্রথম গোষ্ঠীর নেতা ছিলে নূর মহম্মদ তারাকি ও হাফিজুল্লা আমিন এবং দ্বিতীয় গোষ্ঠীর নেতা ছিলে বারবাক কারমাল। দ্বিতীয় গোষ্ঠীই দাউদ খানকে ক্ষমতা দখলে সহযোগিতা করেছিল। নূর মহম্মদ তারাকি ছিলেন দাউদ খানের প্রধানমন্ত্রী। সোভিয়েতের প্রথম থেকেই সন্দেহ ছিল...

The Nature of Cold War | ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রকৃতি

ঠান্ডা লড়াই কি আদর্শগত সংঘাত না রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিণতি হিসেবে ইউরোপের তথাকথিত শক্তিশালী দেশগুলি, যেমন- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। এদের দুর্বলতার সুযোগে আপন প্রভাব ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বে ইউরোপে দুটি পরস্পর বিরোধী শক্তি জোট গড়ে ওঠে। ফলে বিশ্বের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় এরা অবতীর্ণ হয়। তথাকথিত পরাশক্তিগুলি এখন এই দুই রাষ্ট্রের সাহায্যপ্রাপ্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে মতাদর্শগত পার্থক্য থাকলেও হিটলারের আক্রমণ থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য এরা একত্রে কাজ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে এদের মধ্যে মতাদর্শগত বিরোধ  মাথা ছাড়া দিয়ে ওঠে। তবে এই বিরোধ ছিল প্রভাব ও প্রতিপত্তি বিস্তারের প্রতিযোগিতা, সরাসরি সংঘর্ষ নয়। বিশ্ব ইতিহাসে আমেরিকা ও সোভিয়েতের মধ্যেকার এই সংঘর্ষ ঠান্ডা লড়াই নামে পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিমের রাষ্ট্র গুলিকে একত্রিত করে একটি পশ্চিমী জোট গঠন করে। অন্যদিকে...