সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

French Revolution লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নেপোলিয়নের অভ্যন্তরীণ সংস্কার | Napoleon’s Internal Reforms

Napoleon’s Internal Reforms Under the rule of the Directory dominated by the moderate bourgeoisie, the momentum of the French Revolution had begun to slow down. Internal politics became destabilized due to factional conflicts. At such a time, Napoleon was appointed First Consul of France and rose to the pinnacle of power in 1799. In his memoirs, Napoleon attached greater importance to his reforms than to his forty battles. His reforms were permanent and far-reaching. His biographers have also acknowledged that it was the French Revolution that elevated him to the height of power. However, he could not wholeheartedly accept the fundamental ideals of the Revolution—liberty, equality, and fraternity. He believed that the French (the bourgeoisie) had made the Revolution not for liberty or equality, but because their sense of pride had been wounded. Napoleon realized that over the previous ten years, significant changes had taken place in the mindset of the French people. Popular sovereignt...

মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা ও নেপলিয়নের পতন | The Continental System and the Fall of Napoleon

  মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা ও নেপলিয়নের পতন নেপোলিয়নের প্রধান শত্রু ছিল ইংল্যান্ড। ১৮০৫ থেকে ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নেপোলিয়ন প্রায় সমস্ত ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বীকে পদানত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু ইংল্যান্ড ছিল অপরাজেয়। প্রথম দিকে নেপোলিয়ন সরাসরি ইংল্যান্ড আক্রমণ করে জয়লাভের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ১৮০৫ সালের ট্রাফালগারের যুদ্ধে ফ্রান্স ও স্পেনের যৌথ বাহিনী ইংল্যান্ডের হাতে শুধু পরাজিতই নয়, বিধ্বস্ত হয়েছিল। এরপর থেকে নেপোলিয়ন ইংল্যান্ডকে সরাসরি আক্রমণ করার পরিকল্পনা ত্যাগ করেন এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ ঘোষনা করেন যা মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা নামে পরিচিত। ইংল্যন্ডের অর্থনৈতিক ধ্বংসসাধন এবং ফরাসি অর্থনীতির বিকাশসাধন– এই দ্বিমুখী উদ্দেশ্য নিয়ে নেপোলিয়ন মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা চালু করেন। ইংল্যান্ডের শক্তির প্রধান উৎস ছিল তার ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য ও বাণিজ্য সম্পদ। ইউরোপের দেশগুলি ছিল ইংল্যান্ডের শিল্পজাত দ্রব্যের প্রধান ক্রেতা। তাই ইউরোপের বন্দর সমূহে ইংল্যান্ডের পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিলে ইংল্যান্ডের বাণিজ্য নষ্ট হবে এবং ওর অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। অন্যদিকে ওইসব আমদা...

ফরাসি সংবিধান সভার কার্যাবলী | Functions of the French Constituent Assembly

  ফরাসি সংবিধান সভার কার্যাবলী  বিপ্লবের প্রথম ধাক্কায় ফরাসি স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র, সুবিধাভোগী অভিজাতন্ত্র এবং যাজকতন্ত্র বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। এই পটভূমিতে সংবিধান সভা ফ্রান্সের জন্য নতুন ধরনের রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের কাজে হাত দিয়েছিল। ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে আগস্ট মাসে সংবিধানসভা সংবিধান রচনার কাজ শুরু করে। প্রায় ২৩ মাস ধরে এই প্রক্রিয়া চলে এবং ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দে সেপ্টেম্বর মাসে সংবিধান রচনার কাজ শেষ হয়। সংবিধান সভা সংবিধানের মুখবন্ধ হিসাবে Declaration for the Rights of Men and Citizen (মানুষ ও নাগরিকদের অধিকারের) ঘোষণা করেছিল। এটাই ছিল নতুন সংবিধানের ভিত্তি। এই ঘোষণা অনুসারে আইন, কর ও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সকলের সমতার নীতি ঘোষিত হয়েছিল। এই ঘোষনার মাধ্যমে নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার, সম্পত্তির অধিকা্‌ ধর্মচরণের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তি স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়েছিল। সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গণসার্বভৌমত্ব এবং আইনের উৎস হিসেবে গণের ইচ্ছাকে মেনে নেওয়া হয়েছিল। অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিবাদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। তাই ঐতিহাসিক Aulard এই ঘোষনাকে পুরাতনতন্ত্রের মৃ...

ফরাসি বিপ্লবে বুর্জোয়া নেতৃত্ব | Bourgeois Leadership in the French Revolution

ফরাসি বিপ্লবে বুর্জোয়া নেতৃত্ব  বিপ্লবের প্রারম্ভে সম্ভ্রান্ত শ্রেণী ফ্রান্সে বিদ্রোহের আগুন জ্বালালেও বিপ্লব পরিচালিত হয়েছিল বুর্জোয়া তথা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর হাত ধরে। বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাস হয়েছিল তা মধ্যবিত্ত তথা বুর্জোয়াদেরই পক্ষে গিয়েছিল। তাই বলা হয়, It was a revolution of the bourgeois, by the bourgeios and for the bourgeios.  প্রাক বিপ্লব ফ্রান্সের বুর্জোয়া শ্রেণি বলতে তৃতীয় স্টেট এর মধ্যে অপেক্ষাকৃত অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে সম্পত্তিবান অংশকে বোঝায়। এদের মধ্যে ছিলেন ব্যবসায়ী, সুদের কারবারি, আইনজীবী, চিকিৎসক, শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিনেতা, বুদ্ধিজীবী, ছোট ও বড় দোকানদার, স্বাধীন কারিগর প্রভৃতি। যদিও এদের মধ্যেও উচ্চ-মধ্য-নিম্ন   ধরনের সামাজিক বিন্যাস ছিল। বিপ্লব পূর্ব ফ্রান্সে এদের মধ্যে রাজতন্ত্র, অভিজাত ও যাজক শ্রেণীর বিরুদ্ধে শ্রেণী চেতনার সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও এরা তৃতীয় শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত কৃষক, শ্রমিক ও সাঁকুলোৎ জনতাকে ঘৃণা করত। তা সত্ত্বেও বিপ্লবের সময় এরা এই তিন শ্রেণীর মানুষের বিক্ষোভকে কাজে লাগাতে পেরেছিল। বুর্জুয়...

ফরাসি বিপ্লবের জন্য বুরব রাজতন্ত্রের দায়িত্ব | Responsibility of the Bourbon Monarchy for the French Revolution

  ফরাসি বিপ্লবের জন্য বুরব রাজতন্ত্রের দায়িত্ব ফরাসি বিপ্লবের সমকালীন এবং আধুনিক কালের ঐতিহাসিকদের মধ্যে এই বিপ্লবের কারণ নিয়ে মতভেদ রয়েছে অনেকে এর পিছনে আর্থসামাজিক অনেকে অর্থনৈতিক সংকটকে দায়ী করে তবে ফরাসি বিপ্লবের প্রাক্কালে ফ্রান্সে রাজনৈতিক দুর্গতি ও বুরবোঁ রাজবংশের রাজাদের দুর্বলতা ও ব্যর্থতা এই বিপ্লবের জন্য দায়ী ছিল তা একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। অষ্টাদশ শতকে প্রাক-বিপ্লব ফ্রান্সে ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলির মতো (ইংল্যান্ড, হল্যান্ড ও পোল্যান্ড ছাড়া) কেন্দ্রীভূত নিরঙ্কুশ স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র বজায় ছিল। বুরবোঁ রাজারা রাজক্ষমতার দৈবসত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। ফ্রান্সে এই নিরঙ্কুশ স্বৈরাচারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন রাজা চতুর্দশ লুই। তিনি ঘোষণা করেছিলেন - I am the state. তিনি অভিজাত সম্প্রদায় ও চার্চের ক্ষমতা খর্ব করে সুদক্ষ আমলাতন্ত্র গঠনের মাধ্যমে ফ্রান্সে এক সমৃদ্ধশালী স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন। তবে তাঁর শাসনকালে ব্যয়ভার বেড়ে যাওয়ায় রাজকোষের উপর চাপ পড়ে। সেই সঙ্গে বৈদেশিক ক্ষেত্রে একাধিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ফলে যে বিপুল অর্থ ব্যয় তিনি করেছিলেন তা পূরণ করতে ...