সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

Great Calcutta Killing | Jinnah's Direct Action Day | প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস |

Great Calcutta Killing | Jinnah's Direct Action Day | গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং | জিন্নাহ্'র প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস  (English Virsion) The Direct Action Day, also known as the Great Calcutta Killing, was an extremely violent incident in the history of Bengal, specifically in Calcutta (now Kolkata), during the pre-independence era of India. It was a consequence of the divide-and-rule policy introduced throughout India after the suppression of the 1857 Rebellion by the British rulers. The development of communal politics in India, fueled by the Muslim League, Arya Samaj, Hindu Mahasabha, and the R.S.S. led to the intensification of the struggle for India's independence along communal lines. Under the leadership of the Muslim League, the demand for the creation of a separate state, Pakistan, gained momentum. Mohammad Ali Jinnah, the leader of the Muslim League, advocated for the formation of Pakistan, which included Bengal also. However, only 48.3% of the population in Bengal was ...

The Nature of Cold War | ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রকৃতি

ঠান্ডা লড়াই কি আদর্শগত সংঘাত না রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াই? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিণতি হিসেবে ইউরোপের তথাকথিত শক্তিশালী দেশগুলি, যেমন- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। এদের দুর্বলতার সুযোগে আপন প্রভাব ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বে ইউরোপে দুটি পরস্পর বিরোধী শক্তি জোট গড়ে ওঠে। ফলে বিশ্বের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় এরা অবতীর্ণ হয়। তথাকথিত পরাশক্তিগুলি এখন এই দুই রাষ্ট্রের সাহায্যপ্রাপ্ত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে মতাদর্শগত পার্থক্য থাকলেও হিটলারের আক্রমণ থেকে বিশ্বকে রক্ষা করার জন্য এরা একত্রে কাজ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে এদের মধ্যে মতাদর্শগত বিরোধ  মাথা ছাড়া দিয়ে ওঠে। তবে এই বিরোধ ছিল প্রভাব ও প্রতিপত্তি বিস্তারের প্রতিযোগিতা, সরাসরি সংঘর্ষ নয়। বিশ্ব ইতিহাসে আমেরিকা ও সোভিয়েতের মধ্যেকার এই সংঘর্ষ ঠান্ডা লড়াই নামে পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিমের রাষ্ট্র গুলিকে একত্রিত করে একটি পশ্চিমী জোট গঠন করে। অন্যদিকে...

নাদির শাহের ভারত আক্রমণ | Nadir Shah's Invasion

  নাদির শাহের ভারত আক্রমণের কারন কি মূলত অর্থনৈতিক? এই আক্রমণের রাজনৈতিক ফল কি হয়েছিল?  মুঘল সম্রাট মোহাম্মদ শাহ এর শাসনকালে ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারত আক্রমণ করেন। প্রচুর ধনরত্ন লুন্ঠন করেন এবং বেশ কিছু এলাকা তিনি দখল করেন। তাঁর আক্রমণের পিছনে সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক স্বার্থ থাকলেও তৎকালীন ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাকে ভারত আক্রমণের উৎসাহিত করেছিল। যাইহোক নাদির শাহের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে মুঘল সামরিক শক্তি ব্যর্থ হয় এবং সাম্রাজ্যের উপরে এই পরাজয় ক্ষতিকারক প্রভাব বিস্তার করে। পারস্য সাফাবিদ বংশীয়দের শাসনে আফগানদের দ্বারা আক্রান্ত হলে নাদির কুলি নামক এক দক্ষ সেনাপতি তার সামরিক কৃতিত্বের পরিচয় দিয়ে পারস্য থেকে আফগানদের বিতাড়িত করতে সক্ষম হন এবং তিনি সাম্রাজ্যে ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। এরপর তিনি সাফাবিদ শাসকগোষ্ঠীকে সিংহাসনচ্যুত করে নিজেকে পারস্যের 'শাহ' ঘোষণা করেন। নাদির শাহ অটোমান তুর্কিদেরও পারস্য থেকে বিতাড়িত করতে  সক্ষম হন। কিন্তু তুর্কিদের সঙ্গে অনবরত লড়াই চালিয়ে যেতে গেলে যে বিশাল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন ছিল সেই পরিমান অর্থের মজুত সেই মুহূর্তে...

শাহজাহানের রাজত্বকাল | Shahajahan's Reign

  মুঘল যুগে শাহজাহানের রাজত্বকাল শাহজাহানের রাজত্বকালে (১৬২৮-১৬৫৮) মুঘল সাম্রাজ্য তার গৌরবের শীর্ষে পৌঁছায়। তাঁর রাজত্বকাল মুঘলদের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' নামেই খ্যাত। তার সময়ে ভারতীয় মুঘল সাম্রাজ্য সমগ্র ভারতবর্ষে সম্প্রসারিত হয়, দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্টিত হয় এবং শিল্প-সাহিত্য উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছায়। তবে উন্নতির আড়ালে পতন ও অবক্ষয়ের চিহ্নগুলিও ফুটে ওঠে বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন। শাহজাহানের রাজত্বকাল যে ভারত ইতিহাসে সমৃদ্ধি ও গৌরবের চরম শিখরে আরোহণ করেছিল, তা বিভিন্ন ঐতিহাসিক সাক্ষ্যে সমর্থিত। 'লুব-উৎ-তওরিখ' গ্রন্থের লেখক দেখিয়েছেন শাহজাহানের গৃহীত শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থাগুলি ছিল প্রজা কল্যাণকামী এবং দক্ষ শাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি প্রশাসনিক কাজে কোনো গাফিলতি সহ্য করতেন না। প্রশাসনিক ব্যবস্থার উপর পুঙ্খানুপুঙ্খ নজর রাখতেন। তাঁর সময়ে আইন-শৃঙ্খলা যথেষ্ট মজবুত ছিল। জনগণের যাতায়াতের এবং সম্পত্তির পূর্ণ নিরাপত্তা ছিল। সম্রাট 'ঝরোকা দর্শন ' এর মাধ্যমে জনগণের সামনে আসতেন এবং জনগণ তার কাছে সুবিচার চাইতে  পারতেন। তবে মনে করা হয়, খুব কম লোকই এরকম সম্রাটের কাছ...

মুঘলদের প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা | Mughal Provincial Administration

  মুঘলদের প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা  ভারতে মুঘল শাসন ব্যবস্থার অন্যতম প্রাধান অঙ্গ ছিল প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থা। শাসন ব্যবস্থার সুবিধার জন্য মোগল শাসকরা সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলি সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করতেন। আকবরের সময় সুবার সংখ্যা ছিল ১৫। জাহাঙ্গীর এর সময় সুবার সংখ্যা হয়ে দাঁড়ায় ১৭; শাহজাহানের সময় ২২ এবং পরবর্তীকালে  কান্দাহার হস্তচ্যুত হলে সেই সংখ্যা ২১-এ এসে দাঁড়ায়। ঔরঙ্গজেবের সময়েও এই সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে। প্রত্যেকটি সুবা কতগুলি সরকার এবং প্রত্যেকটি সরকার কতগুলি পরগনায় বিভক্ত থাকত। শাসন ব্যবস্থার প্রতিটি এককে উপযুক্ত কর্মচারী নিয়োগ করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রয়াস মোগল শাসকরা চালাতেন। প্রদেশগুলির সাথে কেন্দ্রের যোগাযোগ ছিল সুশাসনের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। প্রতিটি প্রদেশের রাজধানী থাকত, যেখান থেকে প্রাদেশিক শাসন পরিচালিত হত এবং কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা হত। প্রত্যেকটি সুবার শাসন ছিল কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার অনুরূপ। সুবার সামরিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতেন সুবাদার নামে কেন্দ্রীয় সরকারের নিযুক্ত উচ্চপদস্থ কর্মচারী। প্রাদেশিক ব্যবস্থায় তাকে সাহায্য করার জন্য ...