ক্যারোলিঞ্জিয় রেনেসাঁ ক্যারোলিঞ্জিয় যুগের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিল্পকলার ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়। এই অগ্রগতিকে চিহ্নিত করতে অনেক ঐতিহাসিক মধ্যযুগের ইউরোপের ইতিহাসে রেনেসাঁ বা নবজাগৃতি হিসাবে অভিহিত করেছেন। বস্তুত বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে ধ্রুপদী সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল প্রাচীন কালে গ্রিক ও ল্যাটিন সাহিত্য চর্চাকে কেন্দ্র করে। এরপর বর্বর জাতিগুলির আক্রমণে পশ্চিম রোমান সাম্রাজ্যের পতন হয় (৪৭৬ খ্রিঃ) এবং এর ফলে ধ্রুপদী সংস্কৃতির চর্চা সাময়িকভাবে হয়ে যায়। ফ্রাঙ্ক সম্রাট শার্লামেনের সময় থেকে আবার শিক্ষা-সংস্কৃতি, শিল্প কলা তথা স্থাপত্য-ভাস্কর্য এবং সাহিত্যের ক্ষেত্রে পুনরায় জাগরণ দেখা দেয়। এই পুনর্জাগরণকেই ক্যারোলিঞ্জিয় রেনেসাঁ বলে। পঞ্চম শতকে ইতালীয় রেনেসাঁর সঙ্গে ক্যারোলিঞ্জিও রেনেসাঁর কিছু মৌলিক পার্থক্য ছিল। নবম শতকের পুনর্জাগরণ ছিল মূলত খ্রিস্ট ধর্ম এবং খ্রিস্টান যাজক সম্প্রদায়কেন্দ্রিক। স্বাভাবিকভাবে হেলেনিক সংস্কৃতি সম্পর্কে এই নবজাগরণে অনীহা ছিল। পোপ প্রথম গ্রেগ্রিরর সময় থেকে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছিল যে অখ্রিস্টিয় ধ্রুপদী সাহ...